দিরিলিস আরতুগ্রুল (Dirilis Ertugrul) – The Name of A Savior!

Dirilis Ertugrul

ইতিহাসের বিবর্তনবাদে অনেক নায়ক এবং খলনায়কের আগমন অথবা পরিশেষ হয়েছে অদ্যাবধি। তাদের মধ্যে কেউ বা ঐতিহাসিকদের কলমে স্মরণ হয়েছে শ্রদ্ধাভরে অথবা কেউ কেউ অতি সূক্ষ্ম ভাবে অবহেলিত হয়েছে।আজ আমরা কিছুটা উল্লেখিত এবং কিছুটা অবহেলিত এক নায়ককে নিয়ে আলোচনা করবো। ঠিক অবহেলিত বলা হয়তো ঠিক হয়নি, কারন তাকে যথেষ্ট পরিমাণ সম্মান এবং শ্রদ্ধা ভরে আজো তাকে মনে করা হয়। যাকে নিয়ে আজ আমার এই প্রবন্ধ উনার নাম আরতুগুল গাজী (Dirilis Ertugrul)

আরতুগুল গাজী এক কিংবদন্তির নাম। মুসলমানদের অতি বিপদের সময়ে যে রক্ষাকর্তা হিসেবে ছিলেন তাদের মধ্যে আরতুগুল গাজী অন্যতম। তার বীরত্বকাব্য রচিত না হলে মুসলমানদের ইতিহাস হয়তবা অন্যভাবে রচিত হতো ১২00 সালের পর থেকে।

আরতুগুল গাজীর জীবনী রচিত হয় তার মারা যাওয়ার আরো ১০০ বছর পরে, তার সঠিক জন্মসাল অথবা তারিখ নির্ণয় করা যায়নি। তার জীবনী নিয়েও ঐতিহাসিকদের রয়েছে ভিন্নমত। আজ সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সোর্স থেকে ইতিহাস আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।

তবে সে যে গ্রেট অটোম্যান সাম্রাজ্যের জনক ছিলেন এই বিষয়ে কারো কোন দ্বিমত নেই।

 

চলুন চলে যাই তার এবং কায়ী গোষ্ঠীর জীবন ধারায়।

সুলাইমান শাহ হলেন কায়ী গোষ্ঠীর উদ্ভাবক। এদের নিজস্ব কোন ভূখণ্ড নেই, পরিবেশভেদ মেনে এরা একেক সময় একেক জায়গায় বসবাস করতেন। হাইমেমা খাতুন সুলাইমান শাহের স্ত্রী এবং আরতুগুলের জননী।

তার আরো তিন ভাই ছিলো যথাক্রমে গুন্দুজ, তুগতেকিন এবং দুন্দার। প্রধানের সন্তানদের কে “বে”বলা হত। আরতুগুল ভাইদের মাঝে তৃতীয় এবং অপেক্ষাকৃত সাহসী এবং বুদ্ধিমান ছিলেন।

কায়ী গোত্রের প্রধান সুলাইমান শাহও তার উপরেই ভরসা করতেন বেশি। যেহেতু তিনি সাহসী এবং তীক্ষ্ণ-মেজাজি ছিলেন অন্য ভাইয়েরা বিশেষ করে গুন্দুজ প্রথম দিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করতো। তুগতেকিন সে সময়ের সুলতানের বার্তাবাহক এবং গুপ্তচর হিসেবে নিয়জিত ছিলেন তাই কায়ী গোত্রের সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিলো না। তাই গুন্দুজ ভাবতো পরবর্তী গোত্রীয় প্রধান তার যায়গায় আরতুগুলকে করা হবে।

এজন্য সবসময় সে আরতুগুলকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবতো। অন্যদিকে ধর্মপ্রাণ আরতুগুল এহেন চিন্তাধারার আশেপাশেও ছিলেন না। তার বীরবিক্রম কয়েকজন সহচর ছিলো যারা যুদ্ধ ক্ষেত্র এবং বন্ধুক্ষেত্র উভয় ক্ষেত্রেই নিবেদিত প্রাণ ছিলো আরতুগুলের জন্য।

বামসি,তুরগুত, বামসি এরা ছিলেন আরতুগুলের জন্য নিবেদিত প্রাণ। আরতুগুলের জন্য এরা জীবন পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত ছিলেন।

এদের মধ্যে অলিখিত একটা সংবিধান ছিলো। এদের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ছিল গোত্র এবং ইসলামের জন্য শহীদ হওয়া। যা তাদেরকে আরো বেশি শক্তিশালী করে তুলেছিল মানসিক এবং দৈহিক ভাবেও।

গোত্র রক্ষার্থে সুলাইমান শাহ সামরিক শক্তির দিকে মনোনিবেশ করেছিলেন কারন তখন ইসলামের শত্রু চারদিকে ভরা ছিলো। আর কায়ী গোত্র যুদ্ধের জন্য খুব বিখ্যাত ছিলো, বিশেষ করে আরতুগুল এবং তার সহচর-গন বেশি বিখ্যাত ছিলেন। এভাবেই আত্ম-রক্ষার্থে তারা ছোট ছোট অভিযান করে নিজেদের রক্ষা করে আসছিলেন বছরের পর বছর।

১০৭১ সালে অঘুজ তুর্কীরা আনাতোলিয়ায় প্রবেশ করে এবং এখান থেকেই কায়ী গোত্রের উত্থান হয়। অঘুজ তুর্ক ম্যান হলো কায়ী গোত্রের সূত্রপাত। যখন তুর্কীরা আনাতোলিয়ায় প্রবেশ করে তখন খ্রিস্টান এবং মঙ্গলীয়রা আনাতলিয়ায় আধিপত্য বিস্তার করার জন্য মরীয়া হয়ে উঠেছিলো।

এখানে সেখানে যুদ্ধ বিগ্রহ লেগেই থাকত। এর মাঝেই বেড়ে উঠেন আরতুগুল। যেহেতু তুর্কীদের নিজস্ব বাসস্থান অথবা জমি ছিলো না, তারা সবসময় উদ্বিগ্নতার মধ্যে দিনানিপাত করতো, আর আরতুগুল চেয়েছিলেন এর একটা স্থায়ী সমাধান করতে। নিজস্ব সাম্রাজ্য গঠন করতে।

সর্বমোট ৪০০ টি তাঁবু নিয়ে কায়ী গোত্রের শুরু হয়। যার অধিপতি ছিলেন সুলাইমান শাহ।

নেতাদের সবগুলো ভালো গুন সুলাইমান শাহের মধ্যে ছিলো যার কারনে গোত্রের সবাই তাকে খুব মানতেন।

আরতুগুল থেকে মহান বীর হয়ে উঠার কাহিনীর নেপথ্যে তার স্ত্রীর অবদান সবচেয়ে বড়। চলুন তাহলে জেনে আসি মহান বীরের বীরত্ব গাথা প্রেমকাহিনী থেকে।

আরতুগুল এবং তার সহচরেরা চিন্তা করলো যে তারা শিকারে যাবে। যেই ভাবা সেই কাজ, তারা আরতুগুলকে জানালে সেও রাজি হয় এবং সুলাইমান শাহ থেকে অনুমতি নিয়ে তারা রওনা হয় শিকারের উদ্দেশ্যে।

এখানে বলে রাখা ভালো যে কায়ী গোত্র খুবই ধর্মপ্রাণ ছিলো এবং গোত্রের প্রধানের আদেশ নিষেধ খুবই মান্য করতো।

তো তারা পরিকল্পনা অনুযায়ী শিকার করতে যায় এবং দেখে যে কিছু সেনাদল কয়েকজন বন্দি নিয়ে যাচ্ছে এবং পথিমধ্যে সেনাদল তাদের কু-প্রবৃত্তি চরিতার্থ করার জন্য বন্দিদের মাঝে থাকা মেয়েটিকে নির্যাতন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

Dirilis Ertugrul
Dirilis Ertugrul- Image Source: turkishcelebritynews.com

আরতুগুল আর তার সহচররা মিলে তাদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে এবং খৃষ্টান দলকে পরাজিত করে। বন্দিরা তাদের পরিচয় গোপন করে আরতুগুলের কাছে। তবুও তাদেরকে সাথে করে কায়ী ট্রাইবে নিয়ে যায়। এবং হাইমে খাতুন আর সুলাইমান শাহ মহানুভবতার প্রমাণ দিয়ে তাদেরকে স্থান দেয় এবং সেবা যত্ন করে সুস্থ করে তোলে।

বন্দিরা তিনজন ছিলো বাবা, ভাই এবং বোন। মেয়েটির নাম ছিলো হালিমা খাতুন। সে সেলজুক সাম্রাজ্যের রাজপুত্র নোমানের কন্যা, স্বয়ং নোমানও বন্দি ছিলেন। তাদের কে আর্মেনিয়া থেকে বন্দি করে কারাতোয়াগারের সৈন্যরা। তারা এই পরিচয় গোপন রাখে এই ভেবে যে জানলে হয়তো কায়ী গোত্রের সমস্যা হবে।

এখান থেকেই শুরু হয় কায়ীদের সাথে খৃষ্টানদের দ্বন্দ্ব। সে সময় আনাতলিয়ার সুলতান ছিলেন কারাতোয়াগার এবং তিনি সুলতান আলাউদ্দিনের অধীনে ছিলেন। অথচ তিনি ছিলেন শাসক হিসেবে খুবই অত্যাচারী।

দুর্বলদের উপর নির্যাতন আর অতিরিক্ত কর আদায় ছিলো তার নিয়মিত অত্যাচার। কিন্তু সে সবসময় সুলতান আলাউদ্দিনকে বোঝাত যে সে শাসন হিসেবে ভালো।

অথচ সে নিজেই সেলজুক রাজপুত্র নোমান আর তার পরিবারকে বন্দি করেছিলো। তার উদ্দেশ্য ছিলো তাদেরকে মেরে ফেলা।

ওদিকে খৃষ্টানরা চাইতো যেভাবেই হোক জেরুজালেম দখল নিতে,এজন্য তারা সবদিক থেকে চেষ্টা করছিলো যাতে ধর্ম যুদ্ধ লাগে এবং সবাই সবার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে দুর্বল হয়ে পরে। সে সময়ের খৃষ্টান পাদ্রিদের একজন পাদ্রি যে ওস্তাদে আজম নামে পরিচিত তিনি আনাতলিয়ার খৃষ্টানদের নেতৃত্ব দিতেন। তার সেনাপতি ছিলো বর্বর যোদ্ধা তিতুস। আর সেখানে উপস্থিত ছিলো খৃষ্টানদের প্রধান দূত পেত্রিছিও। যার কাজ ছিলো আনাতলিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি টেম্পলারদের জানানো।

ওস্তাদে আজম,পেত্রিছিও এবং কারাতোয়াগারের সকল পরিকল্পনা মাটি হয়ে যায় শুধু মাত্র আরতুগুলের (Dirilis Ertugrul) এই একটি অভিযানে।

কারাতোয়াগার এবং ওস্তাদে আযমের সাথে মিলে এই কাজ সম্পন্ন করতে চেয়েছিল, যথেষ্ট সাহায্যও করেছিল ওস্তাদে আযম, কিন্তু সে মনে মনে অন্য ফন্দি করেছিলো।

যেই টেম্পলারের দল নোমান এবং অন্য বন্দি নিয়ে যাচ্ছিলো তাদের সেনাপতি ছিলো সেনাপতি তিতুসের ছোট ভাই, আরতুগুল তাকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেয়।কিন্তু এই কাজ কে করেছিলো তা কারোরই জানা ছিলো না, যার জন্য তিতুস এবং কারাতোয়াগারের হাতে অনেক তুর্কি মারা পরে।

অবশেষে ঘটনা স্থল থেকে কায়ীদের ছোড়া তীরের সন্ধান পায় কারাতোয়াগার এবং সে অতিশয় ক্ষুদ্ব হয়ে পরে কায়ীদের উপরে। আগে থেকেই তাদের উপরে রাগান্বিত ছিলো কারাতোয়াগার,কারন তারা অতিমাত্রায় কর দিতে দেরি করছিলো।

সে নিজে যায় কায়ী গোত্রের তাবুতে এবং সে বন্দিদের ফেরত চায়। নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে ঢেলে দিতে কিছুতেই রাজি হয় না কায়ী প্রধান সুলাইমান শাহ। নিজেদের উপর নিশ্চিত বিপদ আসবে জেনেও। কারন জলে থেকে কুমিরের সাথে শত্রুতা তো আর মানায় না।

এদিকে আরতুগুল এবং নোমান কন্যা হালিমা খাতুন দুজন দুজনের প্রতি দুর্বল হয়ে পরে কিন্তু কেউ কাউকে কিছু জানায় না। শুধু চোখ দিয়ে মনের কথা প্রকাশ করতো দুজনই।

এই বিষয় টের পেয়ে যায় বড়ভাই গুন্দগলু এর স্ত্রী সেলচান খাতুন, যে তার নিজের বোনের সাথে আরতুগুলের (Dirilis Ertugrul) বিয়ে হবে বলে জানতো।

 

Dirilis Ertugrul 2

 

কারাতোয়াগার বন্দিদের না দিলে উপযুক্ত শাস্তির কথা বলে কায়ী গোত্রকে হুমকি দিয়ে যায়।

সুলাইমান শাহ, হায়মেমা খাতুন এবং আরতুগুল ছাড়া প্রায় সবাই তাদেরকে কারাতোয়াগারের কাছে ফিরিয়ে দিতে চায় নিজেদের ক্ষতির কথা ভেবে।

তাই বলে ন্যায়ের প্রতীক সুলাইমান শাহ জেনেশুনে তাঁদেরকে মৃত্যুমুখে ঢেলে দিতে কিছুতেই রাজি হন নি।

সুলাইমান শাহ বলে দেন কারাতোয়াগারকে যে তারা নিজেদের রক্ষা করতে জানেন, এবং এজন্য যা করতে হয় তিনি তা করবেন।

গুন্দগলুর স্ত্রী সেলচান খাতুন মনে মনে সুলাইমান শাহ এবং পুরো কায়ী গোত্রের উপরে মনে মনে খুবই প্রতিশোধ প্রবণ ছিলো। আর তিনি এজন্য যেকোনো কিছু করার জন্য প্রস্তুত ছিলো। তা যদি সুলাইমান শাহকে মেরে ফেলতেও হয় তিনি তাই করতে রাজি ছিলেন। কারন ছিলো বিশ্বাসঘাতকতার জন্য সুলাইমান শাহ সেলচান খাতুনের বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন।

সেলচান খাতুন এবং কুরদুগলু যিনি সুলাইমান শাহের অনেক বিশ্বস্ত অথচ বিশ্বাসঘাতক একজন সহযোদ্ধা। কুরদুগলু তার বিশ্বাসঘাতকতা দেখায় কায়ী গোত্রের নেতা হওয়ার জন্য আর এজন্য সে আরতুগুলের বড় ভাই গুন্দগলু এবং তার স্ত্রী সেলচানকে ব্যাবহার করে। যা তারা নিজেরাও বুঝতে পারেনা।

কুরদুগলু কারাতোয়াগারের সাথে হাত মিলিয়ে কায়ী গোত্রের বন্দি উদ্ধারের অভিযানের কথা বলে দেয় এবং সেনাপতি তিতুসের ভাইয়ের হত্যাকারী কে বলে দেয় এবং তাকে হত্যা করার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করবে বলেও কারাতোয়াগারকে ওয়াদা করে আসে।

কারাতোয়াগার কায়ীদেরকে যেই হুমকি দিয়েছিল তা পরিপূর্ণ করতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে কুরদুগলু। অনেক জোরদার পাহারাদার থাকা সত্ত্বেও কারাতোয়াগারের সৈন্যদল কায়ী ট্রাইবে প্রবেশ করে হামলা করে বন্দিদের উপর।

কিন্তু আফসিন বে যিনি কিনা সেলজুক সাম্রাজ্যের একসময়ের সেনাপতি ছিলেন। তিনি এসে তাঁদেরকে উদ্ধার করেন দেলি দেমিরের সহযোগিতায়। দেলি দেমির হলেন কায়ীদের প্রধান অস্ত্র প্রস্তুতকারী এবং নামকরা যোদ্ধাও ছিলেন তিনি।

আফসিন বে শাহজাদা নোমানকে বাঁচাতে ছদ্মবেশে কায়ী গোত্রের সাথে এসে যোগ দিয়েছিলেন।

এই আক্রমণ বিফল হওয়ায় দুই দলই যারপরনাই রাগান্বিত হয়। কারাতোয়াগার রাগান্বিত হয় কারন কুরদুগলু তাদেরকে যথেষ্ট সাহায্য করতে পারেনি এবং তার উদ্দেশ্য সফল হয়নি আর অন্যদিকে সুলাইমান শাহ রাগান্বিত হন কারন শত্রুদল অতি কড়া পাহারা ভেদ করেও ঢুকে পরেছে।

অথচ তিনি তো আর জানেন না যে ভিতরের কেউ তাদেরকে সাহায্য করেছে। মানে বিশ্বাসঘাতক তার নিজের কাছেই রয়েছে।

এদিকে আরতুগুল (Dirilis Ertugrul) এবং তার সহযোগীরা সুলাইমান শাহের অনুমতিক্রমে আলেপ্পো রওনা হয়েছে নতুন বসতি খুঁজতে কায়ীদের জন্য।

কারন শীতকাল প্রায় চলে এসেছে এবং বর্তমান জায়গাটি খুবই শীতপ্রকোপ এবং এখানে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব। তখন আলেপ্পোর সুলতান ছিলেন আল-আজিজ। বসতি স্থাপনের জন্য উপযুক্ত যায়গা এবং আল-আজিজের সম্মতি গ্রহণের উদ্দেশ্যেই আরতুগুলের আলেপ্পো যাত্রা শুরু হয়।

এই সংবাদ কুরদুগলু কারাতোয়াগার কে দিয়ে দেয় যাতে আরতুগুল এবং তার তিনজন সহযোগীকে সহজেই ধরাশায়ী করতে পারে। কারাতোয়াগার তার বেশ ভালো কিছু সৈন্যদল দল প্রেরণ করে তাদের ধাওয়া করতে এবং হত্যা করতে।

এই বিশ্বাসঘাতকতা আরতুগুলের (Dirilis Ertugrul) প্রাণ সংকট হয়ে দাঁড়ায়।

(চলবে…)

Writing and Information Sources

http://www.imdb.com/title/tt4320258/
https://en.wikipedia.org/wiki/Dirili%C5%9F:_Ertu%C4%9Frul

http://www.ottomanhistory.net/node/279

3,285 total views, 6 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: